Note: Thank you for being with us. You can contact “Mahi Homeopathy” for any sexually transmitted disease problem.

Dr. Md. Iqbal Hossain
D, H, M, S (M, A)
Experienced in skin and sexual matters.

হােমিওপ্যাথিক ঔষধ বিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস (Short history of homeopathic pharmacopoeia): হােমিওপ্যাথিকের, আবিষ্কারক ডা, ক্রিশ্চিয়ান ফ্রেড্রিক স্যামুয়েল হ্যানিম্যানকে পরীক্ষামূলক ঔষধ বিজ্ঞানের পিতা বলা হয়, কেননা তিনিই প্রথম সুস্থ মানুষের ওপর ঔষধের ফলাফল নিরূপণ করেন। ডা. কালেন্সের মেটেরিয়া মেডিকা (Cullen’s Materia Medica) নামক একখানি বিরাট ঔষধি গ্রন্থের অনুবাদকালে একটি বাক্য বা প্যাসেজের প্রতি তার দৃষ্টি বিশেষরূপে আকৃষ্ট হয় এবং তা হতে তিনি সর্বপ্রথম হােমিওপ্যাথির মূলমন্ত্র Similia Similibus Curantur সম্বন্ধে অনুপ্রেরণা পান। উক্ত গ্রন্থে তিনি দেখতে পান যে কুইনাইনের উৎস স্বরূপ সিঙ্কোনার (Cinchona) যে জ্বর নাশক গুণ আছে, তার কারণ কি? কারণ এর যে সুস্থ জ্বর সদৃশ অবস্থা উৎপাদন করার শক্তি আছে। এ সত্যে অবলম্বন করে হ্যানিম্যান জ্বরে সিঙ্কোনা বা চায়না সুস্থ শরীরে জ্বরবৎ অবস্থা উৎপাদনক্ষম কিনা তা স্বীয় দেহে পরীক্ষা করে যাচাই করতে উদ্যত হন। পরীক্ষালব্ধ জ্ঞানে তার ধারণা হয় যে সুস্থ শরীরে সিঙ্কোনা ম্যালেরিয়া জ্বর সদৃশ অবস্থা (শীতল উত্তাপ ও ঘর্ম) উৎপাদন করতে সমর্থ বলেই তা ম্যালেরিয়া জ্বরের পালা (Paroxysm) নিবারণ করতে পারে। এভাবে তিনি আরও অনেক ঔষধাদির গুণাগুণ নিজদেহে পরীক্ষা করে এক নতুন ধরনের মেটেরিয়া মেডিকা সৃষ্টি করেন। এভাবে তিনি নিজ হস্তে ঔষধ প্রস্তুত করে অতি অল্প ও সূক্ষ্ম মাত্রায় ঔষধ প্রয়ােগ করতে থাকেন। এ সময় হতে হােমিও ঔষধ বিজ্ঞানের শুরু। এভাবে পরবর্তী সময় বিভিন্ন পদ্ধতিতে তিনি ঔষধকে শক্তিতে পরিণত করে রােগীদিগকে প্রয়ােগ করতে থাকেন। তিনি ঔষধ বিজ্ঞানের উপর কোন নির্ধারিত গ্রন্থ লিখে যান নি কিন্তু অর্গানন অব মেডিসিন, ক্রনিক ডিজিজ ও মেটিরিয়া মেডিকা পিউরার প্রাসঙ্গিক পরিচ্ছেদে ঔষধের পরীক্ষা ও প্রমাণ সম্বন্ধে ঔষধ প্রস্তুতকরণ বিদ্যা সম্বন্ধীয় অনেক টীকা ও মন্তব্য তিনি সুন্দরভাবে লিপিবন্ধ করে গেছেন। এসব সংগৃহীত উপাদানই আজকের হােমিও ফার্মাকোপিয়া বা ঔষধ বিজ্ঞান। জার্মানির লিপজিক (Lipzig) শহরের অধীবাসি ডাক্তার সি ক্যাসপেরি, ডা. ক্রিশ্চিয়ান ফ্রেড্রিক স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের অর্গানন অব মেডিসিন, ক্রনিক ডিজিজ ও মেটিরিয়া মেডিকার পরীক্ষালব্ধ তথ্যগুলাে একত্রিত করে ১৮২৫ খ্রি. বিশ্বের প্রথম জার্মান হােমিওপ্যাথিক ফার্মাকোপিয়া প্রকাশ করেন। এরপর ১৮৭০ খ্রি. বৃটিশ হােমিওপ্যাথিক ফার্মাকোপিয়া প্রকাশিত হয়। ১৮৭৬ খ্রি. আমেরিকান হােমিওপ্যাথিক ফার্মাকোপিয়া এবং ১৯৭১ খ্রি. ইন্ডিয়ান হােমিওপ্যাথিক ফার্মাকোপিয়া প্রকাশিত হয়।